বিষণ্ণতা থেকে বাঁচার উপায় কী ?
হতাশা একটি নিরব ঘাতক। নিরবেই অনেক মানুষের জীবনকে ধ্বংস করে দেয়, আমি চেষ্টা করছি আপনাকে একটু হ্যাপি করার।
ঘুটঘুটে কালো অন্ধকারের পর ই কিন্তু ভোরের আলো দেখা যায়।
হতাশা এখন আছে, কিছু সময় পর থাকবে না। এটায় নিয়ম। এই পৃথিবীতে সব কিছুই ক্ষনস্থায়ী। যেমনঃ সুখ -দুঃখ, হাসি -কান্না।
হতাশা তখন আসে, যখন জীবনের কোন লক্ষ থাকে না, কাউকে ভালবাসতেন সে চলে গেছে, কোন কিছু পাওয়ার চেষ্টা করছেন, কিন্তু বার বার ব্যর্থ হচ্ছেন।
যখন ই আপনার কারো প্রতি বা কোন কিছুর প্রতি অনেক বেশি Expectation চলে আসবে, আপনার স্বপ্নের জিনিস না পাইলে আপনি হতাশ হবেন।
অন্য দিকে, কোনো Expectation, না থাকলে, এমনিতেই আপনার লাইফে যা কিছু আসবে তাতেই আপনি ভাল থাকতে পারবেন।
অনেক মানুষ ই আছেন, যাদের অনেক স্বপ্ন পূরণ হয় নি, কিন্তু তাদের জীবন থেমে থাকে নি, তারা ভালই আছে। কিছু ব্যাপার সৃষ্টি কর্তার উপর ছেড়ে দিন না, সব আপনার ইচ্ছায় হবে কেন।
২০ বছর যদি আপনার বয়স হয় অর্থাৎ (২০×৩৬৫) = ৭৩,০০ দিন আপনি প্রকৃতির দেওয়া Oxygen ফ্রিতে গ্রহণ করেছেন। যার জন্য আপনার কোন টাকা দিতে হয় নি।।
অথচ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে গেলে দেখতে পাবেন, কত মানুষ কাতরাচ্ছে Oxygen এর অভাবে। Cylinder এর Oxygen ক্রয় করে তারপর শ্বাস নিতে হচ্ছে। প্রকৃতি তাকে Oxygen দিতেছে না।
প্রতিদিন পৃথিবীতে অনেক মানুষ ৩ বেলা ভাত খাওয়ার সুযোগ পায় না। আপনি নিশ্চয়ই পাচ্ছেন।
কত মানুষ অন্ধ, চোখে দেখতে পায় না। আপনি আমার লেখা পড়ছেন, নিশ্চয়ই আপনি অন্ধ না। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য, দূর আকাশের রংধনু, সাগরের ঢেউ, মা এর হাসি, শিশুর কান্না , বৃষ্টি , বই এই গুলো দেখার সুযোগ অন্ধ মানুষের নাই।এবার ভাবুন আপনি কতটা সুখি।
আপনাকে সুখী করতে সৃষ্টিকর্তা এত কিছু সৃষ্টি করে রেখেছেন। চোখ বন্ধ করে পৃথিবীর সৌন্দর্য দেখা যায় না। চোখ খোলা রাখুন৷ আপনার হতাশা দূর হবে।
সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন, আপনার যা কিছু আছে, তাতেই সুখী হতে পারবেন। শুধু আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে।
# Collect
0 Comments